নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ে অনেকে অনেক সমালোচনা করে, কিন্তু আমি মনে করি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। সেসময় তাৎক্ষণিক যে কাজগুলো করার কথা ছিল, সেটা তারা যথোপযুক্তভাবে করেছে দেখেই আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মাঠ প্রশাসনের কাজে গতিশীলতা আনতে ২০১৪-১৫ থেকে শুরু হয় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি। সরকারের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের প্রশাসন এবং পর্যায়ক্রমে মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি দফতর চুক্তিবদ্ধ হয়।
সকালে ৫১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পক্ষ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবরা। গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সে আয়োজনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
এসময় জনপ্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই প্রবর্তন করা হয়েছে কর্মসম্পাদন চুক্তি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির ফলাফল মানুষের কাছেই যাবে। সবারই দায়িত্ব মানুষের পাশে থাকার। সরকারের পাশাপাশি সবাই উচিৎ মানুষের কল্যাণ করা।
শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মহামারি থেকে শুরু করে নানা দুর্যোগে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে সরকারের প্রতিটি দফতর। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও আছে মানুষের পাশে। সামনের দিনগুলোতেও একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এসময় সরকারের নেওয়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে ২০১৮- ২০১৯ সালে কর্মসম্পাদন ও শুদ্ধাচার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সেরা মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে পুরস্কৃত করা হয়।