বর্তমান মিডিয়ার কল্যাণে জঙ্গিবাদ সর্বস্তরে সুপরিচিত শব্দ।এই এক আতংকের নাম।বিশ্বব্যাপী বিস্তারিত এই জঙ্গিবাদের সাথে ইসলামকে অন্যার্যভাবে এক করে দেখা হচ্ছে।যদিও ইসলামি শিক্ষা ও দর্শণ কোনভাবেই জঙ্গি বাদের পরিপূর্ণ বিরোধী।তা হলে কারা এবং কেন বিশ্বব্যাপী এই আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
জঙ্গিবাদ আদিযুগেও ছিল।শুধু নামে ভিন্নতা ছিল।কর্ম প্রক্রিয়াতেও ভিন্নতা ছিল;কারণ তখনকার যুগে প্রতিপক্ষকে আঘাতের ধরণ এবং অস্র ব্যাবহার আজকের মত ছিল না।যদি নিরস্র মানুষকে বা মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বস্তুর উপর অস্রধারি সম্প্রদায় বা গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে বা এককভাবে হামলা করে এবং তাদের জান-মালের স্থায়ী বা অস্থায়ী ক্ষতি করে তাহলে তারা স্পষ্ট সন্ত্রাসী।জঙ্গির কাজ ফোজদারি আদালতে বিচারযোগ্য।
Terrorism-এর যে সংজ্ঞা অভিধানে দেয়া আছে তা রাজনৈতির ক্ষমতার সাথে সম্পর্কযুক্ত।কিন্তু বর্তমানে জঙ্গির কর্মকাণ্ড এতবেশি জটিলতাপূর্ণ যে এর পারিভাষিক অর্থের আরও ব্যাপ্তি প্রয়োজন।এজন্য আমি জঙ্গিবাদের শব্দগত ব্যাখ্যায় না গিয়ে ব্যাবহারিক অর্থকেই প্রাধ্যান্য দিচ্ছি।আমি মনে করি হজরত আদম(আঃ-এর পুত্র কাবিল কর্তৃক হাবিল নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে জঙ্গি বাদের সৃষ্টি।মানব প্রজম্ম শেষদিবস পর্যন্ত এর মুখোমুখি হবে।
বিশ্বের ইতিহাস খুঁজলে দেখা যায় ,অধিকাংশ ক্ষেত্রে শক্তিধর রাষ্ট্রশক্তি বা ক্ষমতাসীন ব্যাক্তিবর্গ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সৃষ্টিতে প্রত্যাক্ষ বা পরোক্ষভাবে মদদ এবং সর্বপ্রকার সহযোগিতা দেয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং ভিন্নমতের পন্ডিতসমাজ এদের অন্যতম টার্গেট হয়।তারা হত্যার শিকার হয়।এই প্রবণতা আগেও ছিল ;বর্তমানেও আছে;দ্বশ আর সমাজ ভিন্ন।শাসকশ্রেণি অধিকাংশ ক্ষেত্রীসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সুকৌশলে ধর্মীয় লেবাসে আবদ্ধ করার প্রয়াস পেয়েছে এবং কিছুটা সফলও হয়েছে।অন্যদিকে আমজনতা জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে শাসক শ্রেণির প্রচারিত প্রপাগান্ডাকেই সত্য বলেই জেনেছে।
ইসলামের স্বর্ণযুগে হজরত ওমর(রাঃ),হজরত ওসমান(রাঃ),হজরত হাসান(রাঃ) এবং হজরত হোছাইন(রাঃ) মূলত সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন।পরবর্তী যুগে ইসলামী বিশ্বে কতিপয় দার্শনিক সম্প্রদায় সৃষ্টি হয় ;তাদের দার্শনিক মতবাদও বহু নিরীহ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়।এবং এসকল দার্শনিক মতবাদও তৎকালীন শাসকশ্রেণির পৃষ্ঠপোষকতায় ঘড়ে উঠে।ফলে ভিন্নমতের যাত্রিগণ অনিবার্যভাবে নির্যাতনের শিকার হয়।রাজশক্তি যখন ভিন্নমতের গোষ্ঠীকে যুক্তিতে হারাতে না পারে তখন আইনি প্রক্রিয়ার পথে হাটে।কারণ ,এই পথ তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের পথকে সহজ করে দেয়।যখন দেখে আইনি প্রক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সৃষ্টি করবে তখন গুপ্ত হত্যার পথ ধরে।মানুষের “ইচ্ছার স্বাধীনতার” বিষয়কে ইস্যু করে আব্বাসীয়রা বহু মানুষের মৃত্যুকে বৈধতা দিয়েছে।
রাষ্ট্রক্ষমতাকে নিষ্কন্টক করার মানসে ভিন্নমতের গোষ্ঠীগুলোর দার্শনিক দ্বন্ধকে ব্যবহার করা হয়।আরব অঞ্চলে গোত্রীয় আভিজাত্য কখনো ক্ষমতা দখলে ব্যবহার করা হয়েছে;কখনো ধর্মীয় গোষ্ঠীসমূহের দ্বন্ধে রুপান্তর করা হয়েছে।উমাইয়া খেলাফতের সময় শিয়া মতালম্বিগণ বড় ধরণের সংকটের মুখোমুখি হয়।তৎকালীন সুন্নি গবেষকগণ শিয়াদের মুসলমান হিসেবেই গণ্য করতেন না।তাদের ৭০ টি দলের মাঝে একটিকে ইসলামের কাছাকাছি বিবেচনা করা হত;কিন্তু তারাও কাফের বলেই বিবেচিত হত।ফলে তারাও রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাসের শিকার হত।বর্তমান আরববিশ্বে যুদ্ধ ও সংঘাতের সমাপ্তিহীনতার অন্যতম কারণও ধর্মীয় বৈরিতা। খ্রিষ্টান সমাজে ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টেন্ট মধ্যকার সংঘাত সর্বজনবিধিত।তবে বর্তমানে তাদের পারষ্পরিক শান্তিময় পরিবেশ বিরাজ করছে।
ভারতে জঙ্গিবাদ
ভারতবর্ষে ওহাবি আন্দোলন শুরু হলে এ অঞ্চলে কেয়ামি-বেকেয়ামি দুই ধারার মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয় এবং দীর্ঘকাল তা বিক্ষুব্ধ অবস্থায় থাকে।বর্তমানে খারেজি মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত এবং দেওবন্দ উলুমের অনুসারি যে সম্প্রদায় আছে যাদেরকে সরকার নিয়ন্ত্রিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মুহাদ্দেসগণ যথার্থ ধর্মীয় নের্তৃত্ব বলে মনে করেন না।এই মতবাদের অনুসারিরাই দোয়েল চত্তরে সমবেত হয় এবং সংঘাতের মাধ্যমে রাষ্টের নিয়ন্ত্রন নেয়ার চেষ্টা করে।
বিশাল গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে জঙ্গিবাদ শক্ত ভীতের উপর দাঁড়িয়ে আছে।এখানে রাজনৈনিক ক্ষমতা পাওয়ার লক্ষ্যে বিজিপি অনুসারি ছাত্রসংগঠন ও যুবসংগঠন বিশেষ করে আরএসএস সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন রাজনৈতিক ক্ষমতা পাওয়ার অন্যতম উপায় হিসেবে মুসলিম নিধনকেই উপলক্ষ করেন।বাবরি মসজিদ ভাঙ্গনসহ বিভিন্ন দাঙ্গা সৃষ্টি মূলত রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের কৌশল ।
জঙ্গিবাদ ও স্বাধীকার আন্দোলন
রাজনৈতিক সচেতনতা থেকে নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য একধরনের প্রতিশ্রুতি মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়;যা তাদেরকে সশস্র সংগ্রামের দিকে ধাবিত করে।শোষিত জনগোষ্ঠি যখন শাসকের বিরুদ্ধে সশস্র সংগ্রামে লিপ্ত হয় তখন শাসকশ্রেণী তাদেরকে জঙ্গি বলে অভিহিত করে।অন্যদিকে সশস্র সংগ্রামিগণ নিজেদেরকে স্বাধীনতাকামী বলেই বিশ্বাস করে।আসলে পরাজিত স্বাধীনতাকামীরা বরাবরই জঙ্গি নামধারি।রাজনৈতিক ভাগাভাগির খেলায় একসময়ের মুক্তিকামী সংগ্রামী নকশালী এবং পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যগণ জঙ্গি আর সন্ত্রাসী হিসেবেই স্বীকৃত হয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বিলুপ্তির পথে যায়।এরাও উলটোপথে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করে;কিন্তু ব্যররথ হয়।পরবর্তিতে স্বাধীনতা উত্তর জাসদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এক রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনা করে।সে ইতিহাস সকলেরই জানা।রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলই জঙ্গিবাদের মূল কারণ।প্রথাগত বাহিনী এবং রক্ষীবাহিনীর কাছে পরাজিত হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারনে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।কিন্তু এদের লাগানো অগুনেই বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুকে নিশ্চিত করেছে বলে অনেকেই অভিযোগ করে।
জঙ্গিসৃষ্টিতে সহায়কশক্তি
জঙ্গিবাদের উৎপত্তির পেছনে পেতিটি দেশের প্রশিক্ষিত বাহিনীর একটা অংশের হাত থাকে।রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যথার্থ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ না পেলে প্রথাগত প্রশিক্ষিত বাহিনী হস্থক্ষেপ করে ।বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ বিস্তারে এই বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একটা অংশের হাত বরাবরই ছিল।পরবর্তিকালে ঐতিহাসিকগণ নিশ্চয় এই বিষয়ে লিখবেন।তাছাড়া বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে যাকে পূঁজি করে সামরিক কর্তারা ক্ষমতায় বসেছে।
রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরেই বিভ্রান্ত আর লোভী ব্যক্তি থকতে পারে ;এরাই বাইরের অর্থ আর সুযোগের জন্য একটা গোষ্ঠী সৃষ্টি করে।বাংলাদেশের কয়রকটা রাজনৈতিক দল কৌশলে প্যারালাল সশস্র গোষ্ঠী সৃষ্টি প্রচেষ্টা চালায় বলে অভিযুক্ত ।বাংলা ভাই অধ্যায় এবং দশট্রাক অস্রের বিষয়টি সকলেরই মনে আছে।এর বাইরে কী আছে ,কী হচ্ছে তা আমাদের অজানা।এদের দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক ছিল;অস্রও ছিল।বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল অস্র পাচারের সহজতম রুট।দীর্ঘদিন এদিকে কারো সতর্ক নজর ছিলনা।বিগত বি এন পি শাসনামলে নোয়াখালির পরিকল্পিত বনাঞ্চলে এরকম অস্রধারি গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষপর্যন্ত তিনবাহিনীর যৌথ অক্রমনেরর প্রয়োজন হয়েছিল।
জঙ্গিবাদের অর্থনীতি
নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক সরকার জঙ্গিবাদ সৃষ্টির পথে অন্তরায়।ফলে গণতান্ত্রিক সরকারই তাদের মূল টার্গেট এবং শত্রু;এই ধরণের সরকার উঠখাত করার মধ্য দিয়েই তারা অগ্রসর হয়।এজন্য কালোবাজারি,হুন্ডিব্যবসায়ী,মাদক ব্যবসায়িরা জঙ্গি সৃষ্টিতে অর্থ বিনিয়োগ করে।আইন-শৃংখলারক্ষাকারি বাহিনীকে জঙ্গি দমনে ব্যস্ত রেখে এরা এদের কর্ম হাসিল করে। করে।আইন-শৃংখলারক্ষাকারি বাহিনী যদি এসকল অবৈধ গোষ্ঠীকে ধ্বংস না করে তাহলে দেশ সমূহ বিপদেরর মূখে বুঝতে হবে।
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা জাতীয় সংসদের।তারাই তাদের প্রজ্ঞাপূর্ণ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এর সমাধানের উপায় বের করতে সমর্থ।কিন্তু প্রায় ৭০% সাংসদ যেখানে ব্যবসায়ী এবং অনেকের ব্যক্তি জীবনের অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ আছে সেখানে সংসদ কতটুকু সাফল্য দেখাবে তা অনিশ্চিত।তবে আশার কথা এই যে ,বাংলাদেশের শিক্ষিত নতুন প্রজন্ম জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ।অততব এদেশ থেকে অচিরেই জঙ্গি নির্মূল হবে।
বর্তমানে জঙ্গিবাদের পেছনে ব্যাপক অর্থ বিনিয়োগ হচ্ছে।এর সাথে জড়িত আছে বিশ্বের ক্ষমাওতাধর রাষ্ট্রগুলো।তারা কেহ প্রত্যক্ষভাবে ,কেহ পরোক্ষভাবে –এজেন্টের মাধ্যমে জঙ্গিকর্মকান্ডে অর্থ সরবরাহ করছে।সাথে সাথে তারা কয়েকগুণ বেশি লাভবান হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রতিটি ফ্রন্টেই ক্ষমতাধর রাষ্ট্রসমূহ জড়িত।এর জন্য কোন জবাব্দিহিতার প্রয়োজন নেই।তুরস্ক ও তার ভাবাদর্শের দেশগুলো আই এসের থেকে নাম মাত্রমূল্যে জ্বালানী তেল কিনছে।আই এসের মত জঙ্গি গোষ্ঠী না থাকলে এটা অসম্ভব হতো। ফলে এদের সৃষ্টিতে তুরস্কসহ আরবের বেশকয়েকটি শক্তিশালী রাষ্ট্র জড়িত আছে।অন্যদিকে জঙ্গিবাদ সৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় অর্থের যোগানদাতা হচ্ছে ইজরাইল।তার নিজের নিরাপত্তার জন্য এটা প্রয়োজন বলে সে মনে করে।কারণ।আরব দেশগুলো মারামারি বন্ধ রেখে যদি চল্লিশ বছর সহুবস্থানে থাকতে পারে তাহলে আরব বিশ্বের দেশসমূহ ইজরাইলের জন্য হুমকী হয়ে দাঁড়াবে এবং হয়তো ইজরাইল নামটিও মুছে যাবে।ফলে যে ভাবে হোক মুসলিম বিশ্বে জঙ্গি সৃষ্টি প্রয়োজন।এরা কেহই মুসলিম নয় ;ইয়াহুদী।
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোন কৌশল নেয়া উচিত?
অতীতে এমন কোন সময় আসেনি যা আজকের বাংলাদেশের অবস্তার সাথে তুলনীয় হতে পারে।বাংলাদেশ আজ স্বশাসিত এক অনন্য ভূমি।এত গৌরবের দিন বাঙালির অতীতে আর কখনোই আসেনি।প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিত্যদিনের আলোচ্য বিষয় এটি হওয়া উচিত।ধর্মীয় লেবাসে বাংগালি বরাবরই নির্যাতিত হয়েছে।অতএওব জীবনের প্রতিটি স্তরে এই সত্যের বোধ বিস্তৃত হওয়া উচিত এবং এটি সকল প্রকার নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্তি দিতে পারে।অফিস-আদালতে ঘুষ-দুর্নীতির বিস্তার রোধে সর্বত্তোম উপায় হচ্ছে সবার মাঝে স্বদেশ প্রেমের অনুভূতি সৃষ্টি করা।অন্যথায় এরাই সরকারের সাফল্যকে বাধাগ্রস্ত করতে অর্থ বিনিয়োগ করবে।যখনই সরকার ন্যার্যতাকে প্রাধান্য দিবে তখনই এরা সরকারের প্রতিপক্ষ হবে।প্রতিটি জুমা মসজিদে এই বিষয়ে বয়ান করা উচিত।আজকের বাংলাদেশ হওয়াতেই আমরা বুক উচিয়ে চলতে পারি।
স্বদেশ প্রেমে উজ্জ্বীবিত সেনাবাহিনী কোন অবস্থাতেই রাষ্ট্র ক্ষমতায় ভাগ বসাতে চায়না ।কারণ,সেনা শাসন কখনো দেশের সামগ্রিক কল্যাণ বা উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারেনা।এই শসকদের জবাবদিহিতা থাকেনা।এই ধরণের শাসককূল দেশের জন্য অভিশাপ স্বরুপ।এরা ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতিপর্বে খুন-ঘুম আর অনিশ্চিত মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে আসে যাতে আমজনতা ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতিপক্ষ হয়ে পড়ে।তারপর চূড়ান্ত কৌশল আর কাজ!
সশস্রবাহিনীর পেশাদারিত্বের অভাব জঙ্গি সৃষ্টির অন্যতম কারণ।পাকিস্থানের সেনাবাহিনীর মধ্যে এটি প্রবলভাবে উপস্থিত।কারণ,তারা পাকিস্থানের সবচেয়ে বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার।ফলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা না হওয়ার পেছনে তাদের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি এবং তাদের ছায়াতলেই পাকিস্থানের জঙ্গিবাদের জন্ম।
বাংলাদেশের পুলিশ বিভাগ এককভাবে জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করতে সক্ষম বলে আমার বিশ্বাস।এরা দেশের সর্বস্তরের জনমানুষের সাথে কারণে অকারণে যুক্ত আছে।শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত উন্নত প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত হলে তারা সহজেই সফল হতে পারবে।
——